সোমবার ৭ আষাঢ়, ১৪২৮ ২১ জুন, ২০২১ সোমবার

নুসরাতের পর এবার নিখিলের বিবৃতি

অনলাইন ডেস্ক :-বুধবার (৯ মে) বিবৃতি দিয়েছিলেন নুসরাত জাহান।

নিখিলের সঙ্গে নিজের অবস্থান ব্যাখা করে বুধবার (৯ মে) সংবাদমাধ্যমে একটি বিবৃতি দিয়েছিলেন অভিনেত্রী ও সাংসদ নুসরাত জাহান। নিজের বিবৃতিতে ৭টি পয়েন্ট তুলে ধরেছিলেন নুসরাত। এবার নুসরাতের বিবৃতির সরাসরি উত্তর দিয়েছেন নিখিল জৈন। জানিয়েছেন, বিয়ে নিয়ে তার পরিবার এবং তাকে যে দোষারোপ করা হচ্ছে, তার সত্যতা প্রকাশ করতেই এই বিবৃতি।

বৃহস্পতিবার (১০ মে) সংবাদমাধ্যমে পাঠানো নিখিলের বিবৃতি সময় নিউজের পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো-

১। প্রেমে পড়ে নুসরাতকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলাম এবং নুসরাত তা খুশি মনে গ্রহণ করেছিল। পরিকল্পনা করেই আমরা বিদেশে বিয়ে করতে যাই। সে হিসেবে ২০১৯ সালে তুরস্কে বিয়ে এবং কলকাতায় বিবাহোত্তর সংবর্ধনা হয় আমাদের।

২। সমাজ আমাদের স্বামী-স্ত্রীর চোখেই দেখেছিল। একজন দায়িত্ববান মানুষ এবং স্বামী হিসেবে যা করার তাই করেছি। নুসরাত যা করত, তাতেই সমর্থন দিয়েছিলাম। আমার পরিবার এবং বন্ধুরা জানে তার জন্য কী কী করেছি। নুসরাতের ওপর কোনো শর্ত কোনদিন চাপিয়ে দেইনি। 

৩। ২০২০ সালের আগষ্টে একটি সিনেমার শুটিং করতে গিয়ে নুসরাত বদলে যায়। আমার প্রতি আমার স্ত্রীর আচরণ বদলে যায়। কিন্তু কেন? সেটার উত্তর নুসরাতের কাছেই আছে।

৪। আমরা যখন একসাথে থাকতাম তখন নুসরতকে বারবার বলতাম, আমাদের বিয়ের রেজিস্ট্রেশন করতে। কিন্তু প্রতিবার সে বিভিন্নভাবে এড়িয়ে যেত।

৫। ২০২০ সালের ৫ নভেম্বর নুসরাত আমাকে ছেড়ে চলে যায়। যাওয়ার সময় ওর ব্যবহারের সব জিনিস, কাগজ এবং গুরুত্বপূর্ণ নথি নিয়ে যায়। এরপর আমরা আর একসাথে থাকিনি। ওর ফেলে যাওয়া জিনিসপত্র এবং আয়করের নথিগুলো  ওর বালিগঞ্জের ফ্ল্যাটে পাঠিয়ে দিয়েছিলাম। 

৬। নুসরাতের চলে যাওয়া, আমাদের সম্পর্ক, প্রতারণা এবং বিভিন্ন বিষয়ে সংবাদমাধ্যমে একের পর এক খবর দেখেছি। এসব সহ্য করতে না পেরে ২০২১ সালের ৮ মার্চ আলিপুর আদালতে দেওয়ানি মামলা করেছি।

৭। আমাদের সম্পর্কের বিষয়টি এখন আদালতে বিচারাধীন, তাই ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কোনো ধরনের মন্তব্য করতে চাই না। কিন্তু নুসরাতের বিবৃতি আমাকে বাধ্য করেছে সত্যকে সামনে আনতে।

৮। বিয়ের পর দেখলাম, নুসরাতের ওপর মোটা অঙ্কের গৃহঋণ ছিল। সে টাকা আমি আমার পারিবারিক অ্যাকাউন্ট থেকে নুসরাতের অ্যাকাউন্টে দিয়েছিলাম। ভেবেছিলাম মাসিক কিস্তির মাধ্যমে সে টাকা ও আমার পরিবারকে দেবে। ও আসলে ঋণের টাকাই আমার পারিবারিক অ্যাকাউন্টে দিয়েছিল। বিবৃতিতে নুসরাত আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ এনেছে, সেগুলো মিথ্যা এবং ভিত্তিহীন। এর মাধ্যমে আমি অপমানিত হয়েছি। এই আর্থিক লেনদেনের বিষয়ে সব প্রমাণ আছে।

৯। এই পরিস্থিতিতে এ বিষয়ে আমাকে কোন প্রশ্ন না করার অনুরোধ করছি সকল সংবাদমাধ্যমকে। কারণ বিষয়টি সম্পূর্ণ আমার ব্যক্তিগত এবং আদালতের অধীনে। 

বিষেরবাঁশী.কম/ডেস্ক/আয়েশা

Categories: শীর্ষ সংবাদ

Leave A Reply

Your email address will not be published.