মঙ্গলবার ৪ পৌষ, ১৪২৫ ১৮ ডিসেম্বর, ২০১৮ মঙ্গলবার

বেআইনিভাবে সমাবেশ করায় পুলিশ বাধা দিয়েছে: কাদের

অনলাইন ডেস্ক: বিএনপি রাস্তা বন্ধ করে বেআইনিভাবে সমাবেশ করতে যাওয়ায় পুলিশ বাধা দিয়েছে এবং কালকের (বৃহস্পতিবার) ঘটনার জন্য বিএনপি নিজেরা দায়ী।

ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডের সংস্কার কাজ পরিদর্শনে এসে শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহণ ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ কোথাও রাস্তা বন্ধ করে সভা-সমাবেশ করে না। নির্দিষ্ট স্থানে সমাবেশ করা হয়। কিন্তু বিএনপি প্রেসক্লাবের মতো একটা গুরুত্বপূর্ণ স্থানে রাস্তা বন্ধ করে সমাবেশ করতে গেলে পুলিশ হস্তক্ষেপ করবেই। কারণ রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া বেআইনি। আর পুলিশ কাউকে বেআইনি কাজ করতে দেবে না।

দুর্নীতির দায়ে সাজাপ্রাপ্ত হয়ে কারান্তরীণ বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বিএনপির পূর্বঘোষিত অবস্থান কর্মসূচি শান্তিপূর্ণভাবে শুরু হলেও হট্টগোলের মধ্যে আগেই শেষ হয়। কর্মসূচি শুরু হওয়ার পর দুপুর পৌনে ১২টার দিকে পুলিশ সার্ক ফোয়ারার কাছে একজনকে আটক করলে নেতা-কর্মীদের সঙ্গে হট্টগোল হয়। পরে বাধ‌্য হয়ে কর্মসূচিতে ইতি টানে বিএনপি।

সেতু মন্ত্রী বলেন, বিএনপির সমাবেশে মামলার আসামিরা উপস্থিত থাকায় পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করেছে। যাদের বিরুদ্ধে মামলা আছে, তারা যদি পুলিশের সামনে পড়ে, পুলিশ তাদের ছেড়ে দেবে না।

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিএনপিকে সমাবেশ করতে অনুমতি দেওয়া হয়নি বলে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুলের এই অভিযোগের ব্যাপারে ওবায়দুল কাদের বলেন, এর আগেও তারা সেখানে সমাবেশ করেছেন। অনুমতি দেওয়ার ক্ষমতা পুলিশের। এ ব্যাপারে পুলিশই ভালো জানে। এখানে আওয়ামী লীগের ভূমিকা নেই।

আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে বিএনপির লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডের দাবির ব্যাপারে তিনি বলেন, নির্বাচনের শিডিউল ঘোষণার পরেই সেটা হবে। শিডিউল ঘোষণার আগে নির্বাচন কমিশনের এই ব্যাপারে করণীয় নেই।

সেতু মন্ত্রী আরও বলেন, নির্বাচনে আচরণবিধি মেনে চলা হচ্ছে কি না, সেটা দেখা অবশ্যই নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব। নির্বাচন কমিশনের আরণবিধি মেনে সব দলকে নির্বাচনী কর্মকাণ্ড চালাতে হবে।

এর আগে মন্ত্রী ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডের বিভিন্ন পয়েন্টে সংস্কার কাজ ঘুরে দেখেন। এ সময় তিনি গণ্যমাধ্যমকে জানান, এই সড়ক সংস্কারে ১৮ কোটি টাকার প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। সড়ক বিভাগ ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে ছয় মাস সময় বেঁধে দেওয়া হলেও আগামী বর্ষা মৌসুমের আগেই তা শেষ করা হবে।

দেশের সব সড়ক-মহাসড়কের সংস্কার কাজও বর্ষা মৌসুমের আগেই শেষ করতে তিনি নির্দেশ দিয়েছেন। এর ব্যতিক্রম হলে বা নিম্নমানের কাজ হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

মন্ত্রীর পরিদর্শনকালে সড়ক ও জনপদ বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

 

বিষেরবাঁশী.কম/ডেস্ক/নিঃতঃ

Categories: রাজনীতি

Leave A Reply

Your email address will not be published.