বুধবার ৭ অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ ২১ নভেম্বর, ২০১৮ বুধবার

দ্বিতীয় খুতবা প্রসঙ্গ জেরুজালেম

বিষেরবাঁশী ডেস্ক: স্বদেশ ও ইসলামী ভূখ-গুলোকে রক্ষা করা মানে ইসলাম ভিত্তি, মুসলমানের সার্বভৌমত্ব, গৌরব-মর্যাদা ও সম্পদ রক্ষা করা। সব মুসলিম একটি প্রাচীরের মতো। তারা এক জাতি, এক দেহ। এর একটি অঙ্গ আক্রান্ত হলে পুরো দেহ তার উত্তাপ ও বিনিদ্রা অনুভব করে সাড়া দেয়। তাই মুসলমান ও তাদের দেশের কোনো ভিত্তির ওপর আঘাত ও বৈরিতা আসলে তা সব মুসলমানের মানসম্মান ও অস্তিত্বের ওপর আঘাত। আল কুদস আল্লাহর ওহি অবতরণের জায়গা। নবী-রাসুলের আবির্ভাবের কেন্দ্রস্থল। এটি তাদের সেই কেবলা, যেদিকে মুখ করে তারা একসময় নামাজ আদায় করতেন। তা নবী করিম (সা.) এর মেরাজের জায়গা। এখানেই সেই মেহরাব আছে, যেখানে তিনি নবীদের ইমামতি করেছিলেন। ‘পবিত্র ও মহিমাময় তিনি, যিনি তাঁর বান্দাকে রজনীতে ভ্রমণ করিয়েছিলেন মসজিদে হারাম থেকে মসজিদে আকসা পর্যন্ত। যার পরিবেশ আমি বরকতময় করেছি, তাকে আমার নিদর্শন দেখাতে। তিনিই সর্বশ্রোতা, সর্বদ্রষ্টা।’ (সূরা ইসরা : ১)।
এখন সময় হয়েছে সারা বিশ্ব জানুক, আমাদের নবীর মেরাজের জায়গা পৃথিবীর সব তৌহিদপন্থীর জায়গা। তাদের ভূমি, যারা বলে, ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ।’ সৌদি আরব আগেও অটল ছিল, এখনও আছে। সে কখনও ফিলিস্তিন সমস্যা ও দখলকৃত কুদস সম্পর্কে তার মূলনীতি, ইসলামী ও মানবিক মূল্যবোধ থেকে সরবে না, পিছিয়ে আসবে না। আল্লাহর ইচ্ছায় সংকট সমাধান ও নির্যাতিতের সহযোগিতায় সে তার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে।
আল্লাহর প্রতিশ্রুতির প্রতি আমাদের অন্তর আস্থাশীল। শত্রুরা যতই আধিপত্য বিস্তার করুক আল্লাহর সাহায্য ধৈর্যশীল মোমিনদেরই সঙ্গে থাকবে। আল্লাহর ঘরের পালনকর্তা আছেন। তিনিই তাকে রক্ষা করবেন। ‘আমি উপদেশের পর কিতাবে লিখে দিয়েছি, আমার সৎকর্মশীল বান্দারা পৃথিবীর অধিকারী হবে। নিশ্চয়ই এতে ইবাদতগুজার জাতির জন্য পয়গাম রয়েছে।’ (সূরা আম্বিয়া : ১০৫-১০৬)।

বিষেরবাঁশী ডেস্ক/সংবাদদাতা/হৃদয়

Categories: আন্তর্জাতিক

Leave A Reply

Your email address will not be published.