শুক্রবার ৬ আশ্বিন, ১৪২৫ ২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ শুক্রবার

২ বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট লাঞ্ছিত, ব্যবসায়ী রিমান্ডে

 

  • জামালপুর সংবাদদাতা

জামালপুরে দুই বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেটকে লাঞ্ছিত ও মারধরের ঘটনায় গ্রেফতারকৃত দুই ব্যবসায়ীকে সাত দিনের রিমান্ড দিয়েছেন আদালত। গ্রেফতারকৃত ব্যবসায়ী মিন্টু মিয়া ও মমিনুল ইসলাম রিপনকে আজ বৃহস্পতিবার আদালতে সোপর্দ করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম। দীর্ঘ শুনানি শেষে অস্ত্র উদ্ধার, প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন, জড়িতদের নাম-ঠিকানা ও গ্রেফতারের নিমিত্তে সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন সদর আমলী আদালতের বিচারক সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ নাজমুল হক।
উল্লেখ্য, বুধবার বিকেলে চামড়ার ব্যাগ ক্রয় করার জন্য শহরের মিতালী মার্কেটের সিঙ্গাপুর লেদার হাউজে যান অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবিএম গোলাম রসুল এবং সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ওয়াহিদুজ্জামান। এ সময় ম্যাজিস্ট্রেট পরিচয় দেওয়ার পরও তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে ওই দোকানের মালিক মোতাহার হোসেন, কর্মচারী ও অন্য ব্যবসায়ীরা দুই ম্যাজিস্ট্রেটকে লাঞ্ছিত এবং মারধর করেছেন। একই সময় ম্যাজিস্ট্রেটদের গানম্যান কামরুল হাসান ও অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের অফিস সহায়ক মিজানুর রহমানকেও মারধর করেছেন তারা। এ ঘটনায় বুধবার রাতেই জামালপুর অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের অফিস সহায়ক মিজানুর রহমান বাদী হয়ে সদর থানায় মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় ১৭ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ৫০-৬০ জনকে আসামি করা হয়েছে।২ বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট লাঞ্ছিত, ব্যবসায়ী রিমান্ডে
জামালপুরে দুই বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেটকে লাঞ্ছিত ও মারধরের ঘটনায় গ্রেফতারকৃত দুই ব্যবসায়ীকে সাত দিনের রিমান্ড দিয়েছেন আদালত। গ্রেফতারকৃত ব্যবসায়ী মিন্টু মিয়া ও মমিনুল ইসলাম রিপনকে আজ বৃহস্পতিবার আদালতে সোপর্দ করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম। দীর্ঘ শুনানি শেষে অস্ত্র উদ্ধার, প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন, জড়িতদের নাম-ঠিকানা ও গ্রেফতারের নিমিত্তে সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন সদর আমলী আদালতের বিচারক সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ নাজমুল হক।
উল্লেখ্য, বুধবার বিকেলে চামড়ার ব্যাগ ক্রয় করার জন্য শহরের মিতালী মার্কেটের সিঙ্গাপুর লেদার হাউজে যান অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবিএম গোলাম রসুল এবং সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ওয়াহিদুজ্জামান। এ সময় ম্যাজিস্ট্রেট পরিচয় দেওয়ার পরও তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে ওই দোকানের মালিক মোতাহার হোসেন, কর্মচারী ও অন্য ব্যবসায়ীরা দুই ম্যাজিস্ট্রেটকে লাঞ্ছিত এবং মারধর করেছেন। একই সময় ম্যাজিস্ট্রেটদের গানম্যান কামরুল হাসান ও অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের অফিস সহায়ক মিজানুর রহমানকেও মারধর করেছেন তারা। এ ঘটনায় বুধবার রাতেই জামালপুর অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের অফিস সহায়ক মিজানুর রহমান বাদী হয়ে সদর থানায় মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় ১৭ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ৫০-৬০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

বি.বা/ডেস্ক/ক্যানি

Categories: অপরাধ ও দুর্নীতি

Leave A Reply

Your email address will not be published.