মঙ্গলবার ৯ অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ ২৪ নভেম্বর, ২০২০ মঙ্গলবার

দীপাবলি উৎসব দিয়ে শুরু বিশ্বকাপের কাউন্টডাউন

অনলাইন ডেস্ক:-সর্বশেষ ২০১৬ সালে ভারতের মাটিতে আয়োজিত হয়েছিল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। দীর্ঘ পাঁচ বছর পর ২০২১ সালে এসে আবার ভারতের মাটিতেই অনুষ্ঠিত হবে সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটের বৈশ্বিক আসর। সামনের বছরের অক্টোবর থেকে শুরু হবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সপ্তম আসর। তার প্রায় এক বছর আগে থেকে আগামী ১৪ নভেম্বর দীপাবলি উৎসবের মধ্য দিয়ে বিশ্বকাপ আসরের কাউন্টডাউন শুরু করবে সর্ববৃহৎ এই ক্রিকেট খেলুড়ে দেশ।

ভারতের অন্যতম বড় উৎসব দীপাবলি। আলোর খেলার এই উৎসবে মানুষ বাজি পোড়ানোর পাশাপাশি আল্পনা আঁকে। আর এই উৎসবকে লক্ষ্য করে আগামী বিশ্বকাপের কাউন্টডাউন শুরু করতে চাচ্ছে বিসিসিআই ও আইসিসি। ভারতের অন্যতম বড় এই উৎসবের বাকী আর দুই দিন।

তার আগে ক্রিকেট ব্র্যান্ডকে আরও পরিচিত করতে আইসিসির প্রধান নির্বাহী মানু শাহনে, বিসিসিআই সভাপতি সৌরভ গাঙ্গুলি এক বিবৃতি দেন। যেখানে তারা বলেন রঙিন এই উৎসবের দিন থেকে আগামী বিশ্বকাপের বারতা সবার মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্য তাদের। সে কারণে এদিন থেকে ২০২১ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের কাউন্ডডাউন শুরু করতে চাইছে তারা।

আইসিসির প্রধান নির্বাহী মানু শাহনে বলেন, ‘ভারতের সবচেয়ে বড় উৎসব দীপাবলির আর মাত্র দুই দিন বাকী। আর এই উৎসব থেকে ২০২১ ভারত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের কাউন্টডাউন শুরু করা হচ্ছে। আমাদের ক্রিকেট ব্র্যান্ডকে সকলের আরও কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য এই প্রাণবন্ত উৎসব যথার্থ।’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘করোনা বিপর্যয় শেষে বিশ্বের সেরা সব ক্রিকেটারদের নিয়ে সফল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আয়োজন করার লক্ষ্যে আমরা বিসিসিআইয়ের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছি। আমাদের লক্ষ্য বিশ্বজুড়ে সকল দর্শকদের একটা সুন্দর এবং নিরাপদ বিশ্বকাপ উপহার দেওয়া, যাতে সকলে উপভোগ করতে পারে।’

আইসিসির দেওয়া সেই সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিসিসিআইয়ের সভাপতি সৌরভ বলেন, ‘ঘরের মাঠে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মতো আসর আয়োজন করতে পারা আমাদের জন্য অনেক বেশি সম্মানের। ১৯৮৭ ক্রিকেট বিশ্বকাপের পর থেকে ভারত বিভিন্ন সময় বৈশ্বিক টুর্নামেন্ট সফলতার সঙ্গে আয়োজন করেছে। আমি বিশ্বাস করি, বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের ক্রিকেটাররা ক্রিকেট পাগল এই জাতির সম্মুখে খেলতে ভালোবাসবে।’

সৌরভ আরও বলেন, ‘আমি খেলোয়াড় হিসেবে আইসিসির টুর্নামেন্ট খেলতে উপভোগ করেছিলাম। বৈশ্বিক এইসব টুর্নামেন্ট বিশ্বের সকল প্রান্তের মানুষ একসঙ্গে উপভোগ করে থাকে। এখন ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক হিসেবে সম্মানজনক এই টুর্নামেন্টটি সফলভাবে আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছি।’

এদিকে করোনা পরবর্তী প্রথম বিশ্বকাপে সকলের সুরক্ষা নিশ্চিতের আশ্বাস দিয়ে বিসিসিআইয়ের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘বিসিসিআই ক্রিকেটার এবং সকলের সুরক্ষা নিশ্চিতে কোনোপ্রকারের ঘাটতি রাখবে না। ভারত সবসময় আতিথেয়তায় নিজেদের সর্বোচ্চ দেয়। আমি নিশ্চিত করছি, করোনাভাইরাস পরবর্তী সময়ে আইসিসি এবং তার বাকী সদস্যদের প্রয়োজনীয় প্রোটোকল মেনেই সুন্দরভাবে টুর্নামেন্টটি আয়োজন করা হবে।’

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সপ্তম আসর চলতি বছর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে আয়োজনের কথা ছিল। তবে করোনা ভয়াবহতা বিবেচনায় সেটি পিছিয়ে দেওয়া হয় দুই বছর। ফলে পূর্ব নির্ধারিত ভারতে অনুষ্ঠেয় ২০২১ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ধারাবাহিকতায় এগিয়ে যায়। সর্বশেষ ফেব্রুয়ারিতে নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর এটিই হবে করোনা পরবর্তী সময়ে ক্রিকেটের প্রথম বৈশ্বিক আসর।

বিষেরবাঁশী.কম/ডেস্ক/আয়েশা

Categories: খেলাধূলা

Leave A Reply

Your email address will not be published.