বুধবার ৫ কার্তিক, ১৪২৭ ২১ অক্টোবর, ২০২০ বুধবার

অসহায়দের সাহায্যে এক ঝাঁক স্বপ্নবাজ তরুন-তরুণী

অনলাইন ডেস্কঃ– বিশ্ব এখন অনলাইন কেন্দ্রিক। যোগাযোগ থেকে শুরু করে কেনা-বেচা পর্যন্ত হচ্ছে অনলাইনে।তৈরি হচ্ছে নিত্য নতুন বিভিন্ন অনলাইন সংগঠন। আর ঠিক তেমনিই হিন্দু ধর্ম প্রচারে কাজ করছে ‘নারায়ণগঞ্জের দুর্গাপুজো দেখবে ঠাকুর তুমিও ‘ সংগঠনটি।

এটি একটি অনলাইন ভিত্তিক সংগঠন যেটি পরিচালনায় কাজ করছে এক ঝাঁক তরুন-তরুণী। ধর্মীয় বিভিন্ন পোস্টের মাধ্যমে ‘নারায়ণগঞ্জের দুর্গাপুজো দেখবে ঠাকুর তুমিও’ গ্রুপটি সনাতন ধর্মের ঐতিহ্য রক্ষার প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে। এই সংগঠনটি সম্পূর্ণ অলাভজনক ধর্মমুখী অনলাইন সংগঠন।

কিন্তু সনাতন ধর্মের ঐতিহ্য রক্ষার পাশাপাশি এই সংগঠনটি দরিদ্র মানুষের সাহায্য করতে সর্বদা সচেষ্ট।তারই ধারাবাহিকতায় গত ১৬ অক্টোবর শুক্রবার তারা অসহায় এবং দুস্থ নারীদের মাঝে বস্ত্র বিতরন করে।উক্ত অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয় ‘শ্রী শ্রী রাম সীতা বিগ্রহ মন্দিরে’।এটি ‘নারায়ণগঞ্জের দুর্গাপুজো দেখবে ঠাকুর তুমিও’ পেইজ গ্রুপের এডমিন এবং মডারেটর প্যানেলের আয়োজনে একটি ছোট ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা মাত্র। বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বস্ত্র বিতরণ করেন রামসীতা বিগ্রহ মন্দিরের মহারাজ শ্যামল মহারাজ এবং উক্ত সংগঠনের এডমিন প্যানেল সদস্যদের অভিবাবকবৃন্দ।

‘নারায়ণগঞ্জের দুর্গাপুজো দেখবে ঠাকুর তুমিও’ পেইজের এডমিনবৃন্দরা হচ্ছেনঃ-আকাশ দেবনাথ,সুদীপ্ত কর্মকার, শংকর নন্দী, বন্যা চক্রবর্তী। আর মডারেটরবৃন্দরা হচ্ছেন – অনিক দে, অভিজিত সাহা, রাহুল কুন্ডু, অর্পন দাস, বিশ্বজিৎ সাহা,দিপঙ্কর সাহা, দুর্জয় চৌধুরী, হৃদয় দেবনাথ, রাসমনি ঘোষ টুম্পা, রতন চক্রবর্তী, শুভ দেবনাথ, দিপ্ত দত্ত, হৃদয় সেন, শিখা রায় সুপ্তি, প্রিয়াংকা দত্ত, প্রমিজ রায়, রাজন দাস, রিত্তিক পাল, অন্তু সাহা, মিঠুন সাহা, মুক্তি রাণী দাস, প্রিয়াংকা সাহা, রাত্রি দাস, সজিব সরকার, শ্যামা দেবী, শান্তুনু ঘোষ, রূপা রাণী দে, দেবপর্ণা দেবী, তন্ময় পাল এবং পিনাক বসাক।

উক্ত সংগঠনটি গতবছর অর্থাৎ ২০১৯ সাল থেকে অসহায় এবং দুস্থ নারীদের মধ্যে এই শাড়ি বিতরনের অনুষ্ঠান টি শুরু করেন।এছাড়াও তারা দূর্গাপূজোর দশমীতে সনাতনী নারীদের আলতা এবং সিঁদুর বিতরণ করে।

এই গ্রুপের অন্যতম এডমিন আকাশ দেবনাথ বিষেরবাঁশী.কম কে জানায়,’পুজোর মধ্যে নিম্নবর্তী মানুষকে একটু সাহায্য করার জন্যই মূলত বিগত বছর থেকে আমরা এই প্রোগ্রামটি শুরু করি। আমাদের উদ্দেশ্য একটাই, এই ছোট একটা কাজের মাধ্যমে কয়েকজনের মুখে হাসি ফোটানোর চেষ্টা।’তিনি আরও বলেন, ‘জানি আমাদের আয়োজন টা খুবই সামান্য তারপরও আমরা আমাদের সাধ্য মত কাজ করে যেতে চাই।আমাদের গ্রুপ এর মেম্বার দের থেকেই আমরা এই প্রোগ্রামের টাকা কালেক্ট করি৷ যেহেতু আমাদের গ্রুপ এর সবাই স্টুডেন্ট তাই যে যার সাধ্য মত কন্ট্রিবিউট করে।আমরা আমাদের এই কাজ টা ভবিষ্যতেও চালিয়ে যেতে চাই।আপনারা সবাই আমাদের আশীর্বাদ করবেন।’

বিষেরবাঁশী.কম/ডেস্ক/রূপা

Categories: নারায়ণগঞ্জের খবর

Leave A Reply

Your email address will not be published.