মঙ্গলবার ১১ কার্তিক, ১৪২৭ ২৭ অক্টোবর, ২০২০ মঙ্গলবার

মুন্সীগঞ্জ ধলেশ্বরী নদীর ভাঙ্গনে অর্ধশতাধিক বাড়ি-ঘর বিলিন (ভিডিওসহ)

লতা মন্ডল: মুন্সীগঞ্জ সিরাজদিখান উপজেলার কেয়াইন ইউনিয়নে ধলেম্বরী নদী ভাঙ্গন মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। ভাঙ্গনের কবলে পড়ে ইতোমধ্যে হারিয়ে গেছে অর্ধশতাধিক বসতবাড়ী, স্কুল, মাদ্রাসা,পাকা-কাঁচা সড়কসহ কয়েকশ একর ফসলি জমি। গত কয়েকদিনের ভাঙ্গনে হুমকির মুখে পড়েছে সিরাজদিখান ইসলামপুর গাবরপাড়া গ্রামের মসজিদ বাড়িঘড়সহ অসংখ্য স্থাপনা। নদী ভাঙ্গন তীব্র আকার ধারণ করায় ইসলামপুর গাবরপাড়া শিকদারপাড়াবাসী আতঙ্কের মধ্যদিয়ে দিন কাটাচ্ছে। ঘরবাড়ি ও মসজিদ মাদ্রাসা বাঁচাতে পানি উন্নয়ন বোর্ডে জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙ্গন রোধে কাজ করলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল বলছে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা।

মুন্সীগঞ্জ ধলেশ্বরী নদীর ভাঙ্গনে অর্ধশতাধিক বাড়ি-ঘর বিলিন

মুন্সীগঞ্জ ধলেশ্বরী নদীর ভাঙ্গনে অর্ধশতাধিক বাড়ি-ঘর বিলিন

Posted by bisherbashi.com – HotNews on Tuesday, August 4, 2020

এদিকে, নদী ভাঙ্গন ভয়াবহ আকার ধারণ করায় নদী ভাঙ্গন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসক মোঃ মনিরুজ্জামান তালুকদার, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন আহম্মেদ, উপজেলা নির্বাহী অফিসার আশফিকুন নাহার, কেয়াইন ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মোঃ আশ্রাফ আলী। গত সোমবার ও মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে তারা ইসলামপুর গাবরপাড়া শিকদারবাড়ি গ্রামের নদী ভাঙ্গন কবলিত বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় তারা ইসলামপুর গ্রাম রক্ষায় ডাম্পিং কাজের অগ্রগতি দেখার পাশাপাশি,বালিয়া ভাঙ্গন এলাকায় দ্রুত ডাম্পিং করার পদক্ষেপ গ্রহণ করার কথা বলেন পাউবো প্রতিনিধিকে।

স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ আশ্রাফ আলী বলেন, সম্প্রতি নদী ভাঙ্গনে কেয়াইন ইউনিয়নের ইসলামপুর গাবরপাড়া শিকদারবাড়ি গ্রামের ভাঙন এলাকায় গতকাল সোমবার থেকে কয়েক ধাপে বালুর বস্তা দিয়ে ডাম্পিং করলেও গত ৩ দিনে তীব্র স্রোতের তোরে গ্রামটির কয়েক শত গাছপালা, ফসলী জমি ও প্রায় অর্ধশতাধিক বসত ভিটা নদীগর্ভে সম্পূর্ণ বিলীন হয়ে গেছে। ধলেম্বরী নদী সংলগ্ন সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, জেলার বড় কামিল মাদ্রাসা, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হতে ধলেশ্বরীর দূরত্ব রয়েছে মাত্র ৫০ মিটার। বর্তমানে ভাঙ্গনের কবলে পড়ে ইসলামপুর গাবরপাড়া শিকদারবাড়ি গ্রামসহ উপজেলার মানচিত্র থেকে হারিয়ে যেতে বসেছে বেশ কয়েকটি গ্রাম।

এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের ওয়ার্ক এসিস্ট্যান্ট মোঃ ওয়াজেদ মোল্লা বলেন, নদী ভাঙ্গন রোধে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। আশাকরি ঘর-বাড়িসহ অবকাঠামোগুলো রক্ষা করা যাবে। ৪ হাজার ৫শ বালুর বস্তা ডাম্পিং করা হবে এতে ভাঙ্গন রোধ না হলে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহন করবেন কর্তৃপক্ষ।

বিষেরবাশিঁ.কম/ডেস্ক/মৌ দাস

Categories: সারাদেশ

Leave A Reply

Your email address will not be published.