শুক্রবার ২৩ শ্রাবণ, ১৪২৭ ৭ আগস্ট, ২০২০ শুক্রবার

পাঞ্জাবে বিষাক্ত মদ্যপানে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ৮৬ জনে দাঁড়িয়েছে

অনলাইন ডেস্ক: পাশ্ববর্তী দেশ ভারতের উত্তরাঞ্চলের প্রদেশ পাঞ্জাবে গত কয়েক দিনে বিষাক্ত মদ্যপানে মৃত্যুর সংখ্যা যেন দিন দিন বেড়েই চলছে। এর মধ্যে মৃত্যুর সংখ্যা প্রায় ৮৬ জনে দাঁড়িয়েছে বলে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে জানিয়েছে বিবিসি ও এএফপি।

এই ঘটনায় পুলিশ একশোটির বেশি অভিযান চালিয়েছে। এসব বিষাক্ত মদের জোগান দেওয়ার কাজে জড়িত থাকার অভিযোগে এখন পর্যন্ত ২৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

ভারতে বিষাক্ত মদ্যপানের ঘটনা বরাবরের মতোই সাধারণ ঘটনা। এর ফলে দেশটিতে প্রতি বছর কয়েক শত মানুষের মৃত্যু হয়ে থাকে বলে বিবিসি’র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

সম্প্রতি পাঞ্জাবের মদ্যপান করে মৃত্যুর ঘটনা তদন্ত করে দেখার জন্য শুক্রবার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ নিয়েছেন প্রদেশটির মুখ্যমন্ত্রী আমারিন্দর সিং। বলেছেন, “এই ঘটনায় জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।”

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হচ্ছে, পাঞ্জাবে প্রচুর পরিমাণে অবৈধ উৎপাদিত মদ রাস্তার পাশে ক্যাফে মালিকদের কাছে বিক্রি করা হয়। পরে সেখান থেকে এসব মদ স্থানীয় সম্প্রদায়গুলোর মধ্যে বিতরণ করা হয়।

একজন সরকারি কর্মকর্তা শনিবার এএফপিকে জানিয়েছে, বিষাক্ত মদ্যপানে পাঞ্জাবের গুরদাসপুর জেলায় প্রায় ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। অমৃতসরে মৃত্যু হয়েছে ১২ জনের এবং তারন তারান এলাকায় মৃত্যু হয়েছে ৬৩ জনের।

সাম্প্রতিক দিনগুলোতে বিষাক্ত মদ্যপানে আরও মৃত্যুর ঘটনা ঘটে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে সেগুলো শনাক্ত করা যায়নি। কেননা ময়নাতদন্ত ছাড়াই মৃতদেহগুলো পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে।

বিষাক্ত মদ্যপানে পাঞ্জাবে মৃত্যুর ঘটনার আগে দক্ষিণ ভারতের অন্ধ্র প্রদেশে হ্যান্ড স্যানিটাইজার পান করে ১০ জনের মৃত্যুর খবর আসে সংবাদমাধ্যমে। তারা সবাই মাদকাসক্ত ছিলেন বলে জানা যায়।

ভারতের উত্তরাঞ্চলের প্রদেশ পাঞ্জাবে গত কয়েক দিনে বিষাক্ত মদ্যপানে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েই চলছে। এর মধ্যে মৃত্যুর সংখ্যা অন্তত ৮৬ জনে দাঁড়িয়েছে বলে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে জানিয়েছে বিবিসি ও এএফপি।

এই ঘটনায় পুলিশ একশোটির বেশি অভিযান চালিয়েছে। এসব বিষাক্ত মদের জোগান দেওয়ার কাজে জড়িত থাকার অভিযোগে এখন পর্যন্ত ২৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

ভারতে বিষাক্ত মদ্যপান সাধারণ ঘটনা। এর ফলে দেশটিতে প্রতি বছর কয়েক শত মানুষের মৃত্যু হয়ে থাকে বলে বিবিসি’র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

পাঞ্জাবের মদ্যপান করে মৃত্যুর ঘটনা তদন্ত করে দেখার জন্য শুক্রবার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ নিয়েছেন প্রদেশটির মুখ্যমন্ত্রী আমারিন্দর সিং। বলেছেন, “এই ঘটনায় জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।”

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হচ্ছে, পাঞ্জাবে প্রচুর পরিমাণে অবৈধ উৎপাদিত মদ রাস্তার পাশে ক্যাফে মালিকদের কাছে বিক্রি করা হয়। পরে সেখান থেকে এসব মদ স্থানীয় সম্প্রদায়গুলোর মধ্যে বিতরণ করা হয়।

একজন সরকারি কর্মকর্তা শনিবার এএফপিকে জানিয়েছে, বিষাক্ত মদ্যপানে পাঞ্জাবের গুরদাসপুর জেলায় ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। অমৃতসরে মৃত্যু হয়েছে ১২ জনের এবং তারন তারান এলাকায় মৃত্যু হয়েছে ৬৩ জনের।

সাম্প্রতিক দিনগুলোতে বিষাক্ত মদ্যপানে আরও মৃত্যুর ঘটনা ঘটে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে সেগুলো শনাক্ত করা যায়নি। কেননা ময়নাতদন্ত ছাড়াই মৃতদেহগুলো পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে।

বিষাক্ত মদ্যপানে পাঞ্জাবে মৃত্যুর ঘটনার আগে দক্ষিণ ভারতের অন্ধ্র প্রদেশে হ্যান্ড স্যানিটাইজার পান করে ১০ জনের মৃত্যুর খবর আসে সংবাদমাধ্যমে। তারা সবাই মাদকাসক্ত ছিলেন বলে জানা যায়।

সূত্র: দেশ রূপান্তর

বিষেরবাশিঁ.কম/ডেস্ক/মৌ দাস

Categories: আন্তর্জাতিক

Leave A Reply

Your email address will not be published.