শুক্রবার ২৩ শ্রাবণ, ১৪২৭ ৭ আগস্ট, ২০২০ শুক্রবার

নিরুত্তর তানভীর হায়দার খান!

সুভাষ সাহা: আশির দশকে গটবগে তরূণ। স্মার্ট স্টাইলিশ জীবনযাপন। চেহারায়, চলাফেরায় আভিজাত্য। সেসময়কার উদিয়মান তরূণ রাজনীতিক। জাতীয় পার্টির সঙ্গে জন্মলগ্ন থেকেই। বয়স কম হলেও স্বয়ং এরশাদ ও প্রথম সারির বোদ্ধাদের সঙ্গে উঠাবসা। সম্ভাবনার হাতছানি। কোন কিছুর অভাব ছিল না।

তবু হঠাৎ রহস্যময় স্বেচ্ছানির্বাসন!
অনেক বছর পর ইদানিং পুরনো ছবি ফেসবুকে দেখে আফসোস ও কৌতুহল কেন এই নির্বাসিত জীবন? একদিন ওকে উদ্দেশ্য করে ফেসবুকে দুই লাইন জানতে চেয়েছিলাম? আজ মেসেঞ্জারে উত্তর টা চোখে পড়ে। কিন্তু কেন’র উত্তর নেই!
ভাল থেকো। আই লাভ ইউ❤

তানভীর হায়দার খান এর উত্তর টা নিচেঃ

সুভাস দা আপনি আমার একটা ছবিতে জানতে চেয়ে ছিলেনঃ

প্রিয় তানভীর,
তুমি কেন রাজনীতির মাঠ ছাড়লে? জানতে ইচ্ছে করে! আমি রিপ্লাই দিয়েছিলাম হয়তো আপনি দেখননি, তাই আমি ইনবক্সে দিলাম। ভালো থাকবেন দাদা।

সালাম রইলো। আমার প্রিয় মানুষ একজন আপনি, হয়ত আপনি জানেননা। এদানিং অবসরে আপনি যে গানগুলু করে ফেইজবুকে দিয়েছেন তাও শুনেছি।

আমার কৈশরের শুরুতে যখন আমি ইউনেস্কো ইয়ুথ ক্লাব শুরু করেছিলাম, সে সময়ও আপনি প্রথিতযশা সাংবাদিক ছিলেন, অতিথি হিসেবে আপনাকে প্রায়ই পেতাম, অনেক উৎসাহিত হতাম।

বিজ্ঞাপনটি দেখতে ক্লিক করুন

আজ এতো বছর পরেও আপনি এতো মমত্ব আর ভালবাসা স্নেহ নিয়ে যখন আমার ভালোমন্দ জিজ্ঞেস করেন তখন আমি অভিভূত।

দেশের সবাই সব সময় বলে আবার চলে আসো, সক্রিয় হও, কিন্তু কেউ কোনদিন জিজ্ঞেস করেনি কেন সরে গেলাম কিংবা সরে যেতে বাধ্য করা হলো কিনা?

আপনিই প্রথম প্রশ্ন করলেন ঠিক এই মুহুর্তে এর উত্তর দিতে পারলামনা, হয়তো কখনো দেশে আসলে বলা হবে কিংবা কিছু কথা না বলাই থেকে যায়।

আবার দেশে আসলে আপনার কন্ঠে একটি গান শুনতে চাইবো। আর এই গানের কলির ভিতরেই লুকিয়ে আছে কিছু প্রশ্নের উওর। গানটি হলো:

মুক্তির মন্দির সোপানতলে
কত প্রাণ হল বলিদান,
লেখা আছে অশ্রুজলে ।।

কত বিপ্লবী বন্ধুর রক্তে রাঙা,
বন্দীশালার ওই শিকল ভাঙ্গা
তাঁরা কি ফিরিবে আজ সু-প্রভাতে,
যত তরুণ অরুণ গেছে অস্তাচলে।

শুভ কামনা রইলো দাদা।

(ফেইসবুক থেকে সংরক্ষিত)

বিষেরবাশিঁ.কম/ডেস্ক/মৌ দাস

Categories: খোলা বাতায়ন,বিনোদন,সাহিত্য

Leave A Reply

Your email address will not be published.