শনিবার ৭ আশ্বিন, ১৪২৫ ২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ শনিবার

বাংলাদেশ-ভারত শেষ পাঁচ দেখা

 

  • সূত্রঃ চ্যানেল আই

চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির দ্বিতীয় সেমিফাইনালে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ-ভারত। বৃহস্পতিবারের এই ওয়ানডের লড়াইকে ঘিরে উত্তেজনা এখন তুঙ্গে। ইদানীং দুদলের লড়াইয়ে রোমাঞ্চের মাত্রা যে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের উত্তাপকেও ছাড়িয়ে গেছে। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে কোহলিদের বিপক্ষে মাশরাফিদের লড়াইয়ের আগে জেনে নেয়া যাক কেমন ছিল দুদলের সবশেষ পাঁচ ওয়ানডের সাক্ষাত।

মিরপুর, ২০১৪:
তাসকিন আহমেদের অভিষেক ওয়ানডে। বৃষ্টি বিঘ্নিত ম্যাচে রীতিমতো আগুন ঝরিয়েছিলেন টাইগার পেসার। মাত্র ২৮ রানে ৫ উইকেট নিয়ে ভারতকে ১০৫ রানে বেধে ফেলেছিলেন অভিষিক্ত এই তরুণ। কিন্তু ব্যাটসম্যানদের চরম ব্যর্থতায় অভিষেকটা আর স্মরণীয় হয়নি তাসকিনের। মাত্র ৫৮ রান অলআউট হয়ে ম্যাচটা ৪৭ রানে হেরে বসে টাইগাররা।

মেলবোর্ন, ২০১৫:
ওয়ানডে বিশ্বকাপে চমক জাগিয়ে কোয়ার্টারে বাংলাদেশ। ম্যাচটি নিয়ে টাইগার ভক্তদের নতুন করে কিছু বলার হয়তো নেই। মাশরাফিদের সামনে প্রথমবারের মত বিশ্বকাপের সেমিতে যাওয়ার হাতছানি। সেটি ফিকে হয়ে যায় দুই আম্পায়ার ইয়ান গৌল্ড এবং আলিম দারের একাধিক বিতর্কিত সিদ্ধান্তে। ভারতের ৩০২ রানের জবাবে ১৯৩ রানে অলআউট হওয়া টাইগাররা ম্যাচ হেরে বসেছিল ১০৯ রানে। সেই ম্যাচের পর থেকেই বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচে মানেই বাড়তি উত্তেজনা-রোমাঞ্চ।
মিরপুর, ২০১৫:
বিশ্বকাপের পর পূর্ণাঙ্গ সিরিজ খেলতে বাংলাদেশে আসে ধোনির দল। বিশ্ব আসরের কোয়ার্টার ফাইনালের সেই স্মৃতি তখনো টাইগারদের মনে। সিরিজের প্রথম ম্যাচে আগে ব্যাটিং করতে নেমে বাংলাদেশ তোলে ৩০৭ রান। পরে ব্যাটিংয়ে নেমে মোস্তাফিজুর রহমান নামের এক জাদুকরের পেস-তোপের মুখে ২২৮ রানে গুঁটিয়ে যান ধোনি-কোহলিরা। ৫০ রানে ৫ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা অভিষিক্ত ফিজ। সেই ম্যাচে মোস্তাফিজকে অযাচিতভাবে ধাক্কা মেরে বাংলাদেশি সমর্থকদের তোপের মুখে পড়তে হয় ভারতীয় কাপ্তান ধোনিকে।

মিরপুর, ২০১৫:
সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে আরও ভয়ংকর রূপে হাজির মোস্তাফিজ। এবার কাটার মাস্টারের বোলিং তোপে ২০০ রানেই কুপোকাত ধোনি-বাহিনী। মাত্র ৪৩ রানে ৬ উইকেট দ্যা ফিজের। ৫৪ বল বাকি থাকতেই ম্যাচ জিতে ভারতের বিপক্ষে প্রথমবারের মত সিরিজ জয়ের উল্লাস করে বাংলাদেশ।

মিরপুর, ২০১৫:
সেই সিরিজের তৃতীয় ওয়ানডে। সেটি ৭৭ রানে জিতে হোয়াইটওয়াশের লজ্জা এড়িয়ে মান বাঁচায় ভারত। মোস্তাফিজ ১৩ উইকেট নিয়ে রেকর্ডে নাম লেখান। টাইগারদের কাছে স্মরণীয় এক সিরিজ সেটি।

এর আরো ছয়বার দেখা হয়েছে দুদলের। যার তিনবার ছিল টেস্ট, বাকি তিনবার টি-টুয়েন্টিতে।

বি.বা/ডেস্ক/ক্যানি

Categories: খেলাধূলা

Leave A Reply

Your email address will not be published.