মঙ্গলবার ২৮ কার্তিক, ১৪২৬ ১২ নভেম্বর, ২০১৯ মঙ্গলবার

ডিশ বাবুর ছেলে রিয়েন তথ্য প্রযুক্তি আইনের মামলায় গ্রেফতার

অনলাইন ডেস্ক: নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আব্দুল করিম বাবুর ছেলে রিয়েনকে মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) গ্রেফতার করেছে সদর মডেল থানা পুলিশ৷

মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে নগরীর পাইকপাড়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে৷ তার বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সভাপতি এড. মাহবুবুর রহমান মাসুম তথ্য প্রযুক্তি আইনে সদর মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন৷

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সদর মডেল ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদুজ্জামান জানান, রাত ১০টার দিকে পাইকপাড়া এলাকা থেকে রিয়েনকে গ্রেফতার করা হয়৷ তার বিরুদ্ধে প্রেস ক্লাবের সভাপতি এড. মাহবুবুর রহমান মাসুম বাদী হয়ে তথ্য প্রযুক্তি আইনে একটি মামলা করেছেন৷

গত সোমবার (১৪ অক্টোবর) নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সভাপতি এড. মাহবুবুর রহমান মাসুমকে উদ্দেশ্য করে বাজে মন্তব্য করে তাকে নারায়ণগঞ্জ থেকে তাড়ানোর হুমকি দেয় নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের বিতর্কিত কাউন্সিলর আব্দুল করিম বাবুর ছেলে রিয়েন।

কাউন্সিলর বাবুর ওরফে ডিশ বাবুর ছেলে রিয়েন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এড. মাসুমকে হুমকি দিয়ে একটি লেখা পোস্ট করে। এমআরকে রিয়েন নামে তার ফেসবুক একাউন্ট থেকে এ পোস্ট দেয়া হয়।

ওই পোস্টে রিয়েন লিখেছে, ‘সভাপতি এড. মাসুম তুই রাজাকারের সন্তান। তুই জনতা ব্যাংকের কোটি কোটি টাকা মারসোত বাংলা সিমেন্ট নামে। তোর মতো বাটপার প্রেস ক্লাবের সভাপতি কেমনে হয়। আমরা কিন্তু নারায়ণগঞ্জ এর সন্তান তোদের মত দালালদের নারায়ণগঞ্জ ছাড়া করা উচিত। তোদের মত লোকেরা আমাদের সুন্দর নারায়ণগঞ্জকে নষ্ট করতেছস। একজন জনপ্রিয় কাউন্সিল আব্দুল করিম বাবু এর নামে কথা বলার আগে ভাবা উচিত ছিলো সে যদি রাস্তায় নামে ৫০ হাজার লোক সাথে নিয়ে নামবে। পালানোর সুযোগ পাবি না। আমাদের শক্তি আমাদের সৎ সাহস।

এ সময় অশ্লীল ভাষার একটি শব্দও উল্লেখ করা হয় ওই পোস্টে। তার এই স্ট্যাটাসে সাংবাদিক সমাজ ক্ষোভ প্রকাশ করেন৷

প্রসঙ্গত, গত রবিবার (১৩ অক্টোবর) ডিসি অফিসে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভায় নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সভাপতি এড. মাহবুবুর রহমান মাসুম আদর্শ বালিকা বিদ্যালয়ের সভাপতি বিতর্কিত কাউন্সিলর আব্দুল করিম বাবু কীভাবে হয় সে বিষয়ে উষ্মা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘সবসময় দেখে এসেছি আদর্শ উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের সভাপতি হতেন ডিসি। কিন্তু কোনো এক অদৃশ্য সুতার টানে সেখানকার সভাপতি এখন ডিশ বাবু। তার মতো একজন জেলখাটা মানুষ, অপরাধী কীভাবে সেখানকার সভাপতি হয়? আমরা এর অবসান চাই।’

এ প্রসঙ্গে জেলা প্রশাসক মো. জসিম উদ্দিন বলেন, ‘বিষয়টি আমরা দেখবো। এর পেছনে কি কারণ রয়েছে তা খতিয়ে দেখা হবে।

বিষেরবাঁশি.কম/ডেস্ক/মৌ দাস.

Categories: অপরাধ ও দুর্নীতি,নারায়ণগঞ্জের খবর

Leave A Reply

Your email address will not be published.