বুধবার ৬ অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ ২০ নভেম্বর, ২০১৯ বুধবার

*হেরে গেলেন সেলিম ওসমান!* “বাংলাদেশ ইয়ার্ন মার্চেন্টস এ্যাসোসিয়েশন” নির্বাচনে অভিজ্ঞতার জয়!

 

 

গর্জন ছিল সেলিম ওসমান সমর্থিত আলহাজ্ব সোলায়মান প্যানেলের পক্ষে।
প্রবীর কুমার সাহা ও মুক্তিযোদ্ধা কমাণ্ডার মোহম্মদ আলীর মতো হাই প্রোফাইল সমর্থকদের আত্মবিশ্বাসী ভবিষ্যৎ বাণীকে ধরাশায়ী করে শামীম ওসমান সমর্থিত লিটন সাহার নিরঙ্কুশ
জয়ে নিস্তব্ধ চারপাশ!
শুক্রবার শহরের গ্র্যাণ্ড হলে আয়োজিত ঈদ পুনর্মিলনী ও শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে রমরমা পরিবেশে শামীম ওসমান সমর্থিত প্যানেলের বিরুদ্ধে প্রধান অতিথি সাংসদ সেলিম ওসমানের কড়া ও আক্রমনাত্মক মন্তব্য ভোটারদের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে বলে কানাঘুষা শোনা যাচ্ছে।

পায়ে ধরা লোকদের প্রত্যাখ্যানের ডাক দিয়েছিলেন সেলিম ওসমান। শেষপর্যন্ত ভোটে ফল হল উল্টো!
পর্যবেক্ষকদের ভাষায় ভোটাররা আক্রমনাত্মক ভাষার জবাব দিয়েছেন নীরব ভোটের মাধ্যমে।
নীরবতার জয় হল!
শেষ খবরে লিটন সাহার প্যানেল বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছে।
পুরো নির্বাচনী ডামাডোল দৃশ্যমান ছিল সোলায়মান প্যানেলের পক্ষে। চমক আসল লিটন সাহার অনুকুলে।
বৃহস্পতিবার ২০ জুন রাতে গ্র্যাণ্ড হলে নির্বাচন পূর্ব বিশেষ অনুষ্ঠানে সোলায়মান নেতৃত্বাধীন ‘সম্মিলিত সুতা-রং ব্যবসায়ী ঐক্য ফোরাম’ প্যানেলের সকল প্রার্থীদের ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করার আহ্বান জানান সাংসদ সেলিম ওসমান।
বিপরীত মেরুর শীর্ষ প্রাথীর নাম উচ্চারণ না করে ২৬ মিনিটের পুরো বক্তব্যের বেশিরভাগ সময়ই ব্যক্তিগত সমালোচনা মুখর ছিলেন সংসদ সদস্য সেলিস ওসমান।
সেলিম ওসমানের কণ্ঠে ছিল অতিরিক্ত ক্ষোভ ও আত্মবিশ্বাস! শেষপর্যন্ত এই অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসই সোলায়মান প্যানেলের ভরাডুবির কারণ ছিল কি না তা নিয়ে চলছে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা!

উল্লেখ্য,সাধারণ গ্রুপের বারো জনের মধ্যে এগারোজনই লিটন সাহার প্যানেল জয় পেয়েছেন একজন বিজয়ী হয়েছেন সোলায়মান প্যানেল থেকে।
তবে,এ্যাসোসিয়েট গ্রুপের ছয়জনই নির্বাচিত হয়েছেন সোলায়মান প্যানেল থেকে
বড় ভাই সেলিম ওসমানের দম্ভকে অনুজ শামীম ওসমান আশ্রিত প্যানেল এভাবে চূর্ণ করে দেবে তা ছিল রীতিমতো অবিশ্বাস্য ও অভাবনীয়।

 

বিষেরবাঁশী.কম/ডেক্স/মৌ দাস

Categories: নারায়ণগঞ্জের খবর,রাজনীতি

Leave A Reply

Your email address will not be published.