শনিবার ৯ চৈত্র, ১৪২৫ ২৩ মার্চ, ২০১৯ শনিবার

খালেদা জিয়ার উপস্থিতিতে নাইকো মামলার শুনানি চলছে

অনলাইন ডেস্ক: নাইকো দুর্নীতির মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে চার্জগঠনের শুনানি চলেছে। বিচারক পরিবর্তন হওয়ায় আবারও অভিযোগ গঠনের শুনানি শুরু করা হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার পুরাতন কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থাপিত বিশেষ আদালতে খালেদা জিয়ার উপস্থিতিতে এই শুনানি কার্যক্রম শুরু হয়। ঢাকার ৯ নম্বর বিশেষ জজ শেখ হাফিজুর রহমান এ শুনানি গ্রহণ করছেন।

আজ মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেসটিগেশনের (এফবিআই) এক এজেন্ট এবং কানাডীয় দুই পুলিশের তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণ ও তাদের সাক্ষ্য দেওয়ার বিষয়েও খালেদা জিয়ার পক্ষে আপত্তি দাখিলের দিন ধার্য আছে।

এর আগে এ মামলায় গত ৮ ও ৯ নভেম্বর ওই আদালতে খালেদা জিয়ার উপস্থিতিতে অন্যান্য আসামিদের পক্ষে আংশিক চার্জগঠনের শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার পর ৩ জানুয়ারি দিন ধার্য করা হয়। এরপর গত ২২ নভেম্বর অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম এফবিআই ও কানাডা পুলিশের তদন্ত রিপোর্ট এবং তাদের সাক্ষ্য গ্রহণের আবেদন করেন। ওইদিন আদালত ৯ ডিসেম্বর শুনানির দিন ধার্য করেন। পরে ৯ ডিসেম্বর খালেদা জিয়ার পক্ষে আপত্তি দাখিলের জন্য সময় চাইলে আদালত তা মঞ্জুর করে ৩ জানুয়ারি ধার্য তারিখ আপত্তি দাখিল ও শুনানির দিন ধার্য করেন।

মামলায় বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, তারেক রহমানের বন্ধু গিয়াস উদ্দিন আল মামুন, সাবেক জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী একে এম মোশাররফ হোসেন ও সাবেক সিনিয়র সহকারী সচিব সি এম ইউছুফ হোসাইন, ঢাকা ক্লাবের সাবেক সভাপতি সেলিম ভূঁইয়া (সিলভার সেলিম), জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সচিব খন্দকার শহীদুল ইসলাম, নাইকোর দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট কাশেম শরীফ, তখনকার প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও বাপেক্সের সাবেক মহাব্যবস্থাপক মীর ময়নুল হকও আসামি।

২০০৭ সালের ৯ ডিসেম্বর বিরুদ্ধে তেজগাঁও থানায় মামলাটি দায়ের করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। মামলাটির তদন্তের পর ২০০৮ সালের ৫ মে খালেদা জিয়াসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

চার্জশিটের বৈধতা চ্যলেঞ্জ করে খালেদা জিয়া হাইকোর্টে রিট আবেদন করলে ২০০৮ সালের ৯ জুলাই হাইকোর্ট নিম্ন আদালতের কার্যক্রম স্থগিত করে রুল জারি করেন। ২০১৫ সালের ১৮ জুন হাইকোর্ট রুল ডিসচার্জ করে স্থাগিতাদেশ প্রত্যাহার করেন।

ক্ষমতার অপব্যবহার করে তিনটি গ্যাসক্ষেত্র পরিত্যক্ত দেখিয়ে কানাডীয় কোম্পানি নাইকোর হাতে ‘তুলে দেওয়ার’ অভিযোগে রাষ্ট্রের প্রায় ১৩ হাজার ৭৭৭ কোটি টাকার ক্ষতির দায়ে এই মামলাটি করা হয়।

 

বিষেরবাঁশী.কম/ডেস্ক/নিঃতঃ

Categories: আইন-আদালত

Leave A Reply

Your email address will not be published.