শনিবার ৩ অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ ১৭ নভেম্বর, ২০১৮ শনিবার

গানে মুগ্ধ হয়ে প্রতিযোগীকেই প্রণাম করলেন বিচারক

বিষেরবাঁশী ডেস্ক: গানের যতো প্রতিযোগীতা আছেন এরমধ্যে একটি উল্লেখযোগ্য প্রতিযোগীতা হল ‘ইন্ডিয়ান আইডল’। অনেক জনপ্রিয় শিল্পী উঠে এসেছেন এই প্রতিযোগীতা থেকে। এই প্রতিযোগীতার মঞ্চে ঘটেছে অনেক হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়া ঘটনা। আবারও এমন এক ঘটনা ঘটেছে সোনি এন্টারটেনমেন্ট চ্যানেলে প্রচার হওয়া ‘ইন্ডিয়ান আইডল ১০’ এ। এই সপ্তাহে ‘জনতা কি ফরমাইশ’ বিশেষ পর্বে আটজন প্রতিযোগীকে মঞ্চে এসে প্রশংসা করছিলেন বিচারকরা।

একের পর এক গান গেয়ে শোনাচ্ছেন প্রতিযোগীরা। এরই মধ্যে ‘মোহ মোহ কে ধাগে’ গান গেয়ে সবাইকে চমকে দেন নীলাঞ্জনা রায়। তার গানে বিচারকেরা এতই মোহিত হয়ে যান যে উঠে দাঁড়িয়ে তারা নীলাঞ্জনার প্রশংসা করেন। অন্যতম বিচারক বিশাল দাদলানি এতই মুগ্ধ হয়ে যান নীলাঞ্জনার গানে যে স্টেজে উঠে নীলাঞ্জনাকে প্রণাম করতে যান তিনি।

যেহেতু, এটি ‘ফ্যান স্পেশাল এপিসোড’ ছিল তাই নীলাঞ্জনার অনুরাগী দম্পতি বিজয় তলরেজা এবং প্রীতি তলজেজা নীলাঞ্জনাকে গান গাইতে দেখতে উপস্থিত হয়েছিলেন। গানে মুগ্ধ হয়ে তাঁরা ভালোবেসে নীলাঞ্জনাকে সোনার চেন উপহার দেন স্টেজেই। নীলাঞ্জনার গান প্রসঙ্গে বিচারক নেহা কক্কর বলেন, “নীলাঞ্জনার গানের গলা খুব মিষ্টি আর ও গায়ও ভীষণ ভালো, মনে হয় সাক্ষাৎ মা সরস্বতীর কন্যা।”

নীলাঞ্জনা বলেন, ‘আমি বিশাল স্যারের অনুভূতি দেখে খুবই প্রভাবিত হয়েছি। নেহা ম্যাডাম এবং অনু স্যারও যেভাবে আমার প্রশংসা করেছেন তা আমার জন্য খুবই বড় ব্যাপার। এই পর্ব আমাদের জন্য বিশেষ কারণ আমাদের অনুরাগীরা আজ সেটে আসার সুযোগ পেয়েছেন। আমি আমার অনুরাগীর থেকে সোনার চেন উপহার পেয়েছি ঠিকই কিন্তু আমার গান যেভাবে ওদের মুখে আনন্দ ফুটিয়ে তুলেছে তা আমার জন্য খুবই বিশেষ। আমি এই দিন সবসময় মনে রাখব, সেলিব্রিটি হওয়ার অভিজ্ঞতা কী তা আমি আজ বুঝেছি।’

নীলাঞ্জনা রায় জন্মসূত্রে কোচবিহারের তুফানগঞ্জের বাসিন্দা। তবে বাবা মায়ের পেশার কারণে ছোট্ট বয়সেই তাকে আলিপুরদুয়ারে চলে আসতে হয়েছিল। বাবা মা দুজনেই স্কুল শিক্ষক এবং শিক্ষিকা। বাবা তুফানগঞ্জ এন এন এম স্কুলের শিক্ষক। আলিপুরদুয়ারের নেতাজী বিদ্যাপীঠ স্কুলের অত্যন্ত মেধাবী ছাত্রী নীলাঞ্জনা। ছোট থেকেই গানের প্রতি আগ্রহ লক্ষ্য করেন তার বাবা সুভাষ রায়।

বিষেরবাঁশী ডেস্ক/সংবাদদাতা/হৃদয়

Categories: বিনোদন

Leave A Reply

Your email address will not be published.