বুধবার ৪ আশ্বিন, ১৪২৫ ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ বুধবার

শুরুতেই হোঁচট খেলো ব্রাজিল

বিশেরবাঁশী ডেস্ক: শিরোপাপ্রত্যাশী আরেক দল ব্রাজিল ‘গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ’-এ হোঁচট খেলো। আর্জেন্টিনা, জার্মানির পর টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচে হোঁচট খাওয়াদের তালিকায় নাম উঠলো হেক্সা (৬ষ্ঠ শিরোপা) মিশনে নামা সেলাসাওদের। রোববার রাতে রাশিয়ার রস্তভ অ্যারেনায় ‘হার না মানা’ হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে ব্রাজিলের সঙ্গে পয়েন্ট ভাগাভাগি করেই মাঠ ছেড়েছে সুইজারল্যান্ড। ম্যাচের প্রথমার্ধে ফিলিপে কুতিনহোর দুর্দান্ত গোলে এগিয়ে গিয়েও তা ধরে রাখতে পারেননি তিতের শিষ্যরা। সুইজারল্যান্ডের মিডফিল্ডার স্তেভেন জুবার দুর্দান্ত হেডে দলকে সমতায় ফেরান।

গোল করে দলকে সমতায় ফেরাচ্ছেন স্তেভান জুবারম্যাচের ৫০তম মিনিটে কর্নার থেকে গোলটি পায় সুইজারল্যান্ড। জের্ডান শাকিরি জোরালো কর্নার কিক খুঁজে পায় ব্রাজিলের ৬ গজের বক্সের ভেতরে থাকা স্তেভেন জুবারকে। জোরালো হেডে গোল করে দলকে ১-১ সমতায় ফেরাতে বিন্দুমাত্র ভুল হয়নি তার। ব্রাজিলীয় গোলরক্ষক আলিসনের তাকিয়ে দেখা ছাড়া কিছুই করার ছিলো না তখন।

৬৯তম মিনিটে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিলো ব্রাজিল। ডি-বক্সের ভিতরে শূন্যের বল দারুণ দক্ষতায় বুক দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করেন কুতিনহো। এরপর তার ডান পায়ের জোরালো শট ডানপাশের গোলপোস্টের পাশ দিয়ে চলে যায়। হতাশ হন লিভারপুলের সাবেক এই তারকা। ইনজুরি সময়ে নেইমার, ফিরমিনো ও মিরান্ডা দলকে কাঙ্ক্ষিত জয় এনে দিতে ব্যর্থ হন। শেষ সাত মিনিটে প্রত্যেকেই নষ্ট করেছেন একটি করে সুযোগ।

হতাশ নেইমারপুরো ম্যাচেই সুইজারল্যান্ডের খেলোয়াড়দের সতর্ক প্রহরায় প্রায় অকেজো হয়েছিলেন নেইমার। বিশ্বকাপের ব্রাজিলের প্রথম ম্যাচে তার খেলা নিয়ে জেগেছিলো সংশয়। তবুও শেষ পর্যন্ত প্রথম একাদশেই নেইমারকে নামান তিতে। সুইজারল্যান্ডের খেলোয়াড়দের বেশ কয়েকটি কড়া ট্যাকলের শিকারও হন তিনি। ম্যাচের শেষ দিকে নেইমারের একটি হেড ঝাপিয়ে পড়ে রুখে দেন গোলরক্ষক ইয়ান সোমার।

দ্বিতীয়ার্ধের মাঝামাঝি মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ নিতে উভয় দলের কোচ দলে পরিবর্তন আনেন। ৬০ ও ৬৭ মিনিটে কাসেমিরো ও পলিনহোকে তুলে নিয়ে ফারনান্দিনহো ও রেনাতো অগাস্তুকে নামান ব্রাজিল কোচ তিতে। অন্যদিকে সুইজারল্যান্ডের কোচ ভ্লাদিমির ম্লাদেন হলুদ কার্ড দেখা বেরাহিমিকে তুলে নিয়ে মাঠে নামান এমবোলোকে।

আগে প্রথমার্ধের ২০তম মিনিটে দুর্দান্ত এক গোল করে দলকে এগিয়ে নেন ফিলিপে কুতিনহো। ডি-বক্সের বামদিকে বল পেয়ে ডান দিকে সামান্য এগিয়ে গিয়ে বক্সের বাইরে থেকেই জোরালো শট নেন তিনি। কুতিনহোর জোরালো শট গোলবারের ডানদিকের কোনাকুনি জালে ঠিকানা খুঁজে পায়। গোলরক্ষক ইয়ান সোমারের অসহায়ের মতো তাকিয়ে দেখা ছাড়া কিছুই করার ছিলো না।

এগারো মিনিটেই এগিয়ে যেতে পারতো ব্রাজিল যদি ৬ গজের বক্সের ভেতর থেকে পলিনহো সহজ সুযোগ নষ্ট না করতেন। সুইজারল্যান্ডের ডিফেন্সকে বোকা বানিয়ে বক্সের নেইমারের উদ্দেশে বল বাড়ান কুতিনহো। সেখান থেকে নেইমারের বাড়িয়ে দেওয়া বলে পলিনেহোর দুর্বল শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। আগে ম্যাচের প্রথম আক্রমণ করে সুইজারল্যান্ড। জের্ডান শাকিরির ক্রস গোলবারের অনেক উপর দিয়ে তুলে দেন।

বিশেরবাঁশী ডেস্ক/সংবাদদাতা/ইলিয়াছ

Categories: খেলাধূলা

Leave A Reply

Your email address will not be published.