বৃহস্পতিবার ১ অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ ১৫ নভেম্বর, ২০১৮ বৃহস্পতিবার

বাংলাদেশকে সর্বোচ্চ ঋণ দেয়ার প্রতিশ্রুতি এডিবির

অনলাইন ডেস্ক: চলতি বছর এশিয়ান ডেভলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি) বাংলাদেশকে এ যাবৎকালের সর্বোচ্চ ঋণ দেবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এ বছর বাংলাদেশ দুই বিলিয়ন ডলার ঋণ সহায়তা পাবে। পাশাপাশি সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে অভিন্ন মুদ্রা চালুর ব্যাপারে আলোচনা হয়েছে এডিবির ৫১তম বার্ষিক সভার দ্বিতীয় দিনে। সভায় সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য বৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য সার্ক ইকনোমিক কাউন্সিল গঠনের ব্যাপারে প্রস্তাবনা এসেছে।

শুক্রবার সার্কভুক্ত দেশগুলোর অর্থমন্ত্রীদের আলোচনা পর্বে এ বিষয়গুলো গুরুত্ব পেয়েছে। দিন শেষে ম্যানিলায় নিযুক্ত এডিবির বিকল্প নির্বাহী পরিচালক মাহবুুব আহমেদের আমন্ত্রণে এক নৈশভোজে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানিয়েছেন।

বিশেষত সার্কভুক্ত দেশগুলোর আলোচনা বাস্তবে রূপদান করতে পারলে এসব দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন আরও ত্বরান্বিত হবে বলে মন্ত্রীরা মনে করেন। এদিন অর্থমন্ত্রী মুহিত কানাডার অর্থমন্ত্রী, ভারতের অর্থসচিবের সঙ্গে পৃথকভাবে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন। এরপর গভর্নর প্লানারি সেশনেও অংশ নেন তিনি। সেখানে ২০৩০ প্রেক্ষিত পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এ সময়ের মধ্যে বাংলাদেশ অর্থনীতির একটি উৎকর্ষের দেশে পরিণত হবে বলে সভায় জানানো হয়।

এডিবি হেডকোয়ার্টারে আমন্ত্রিত দেশ হিসেবে এক অভ্যর্থনা ও নৈশভোজের আয়োজন করে এডিবি। সব অংশগ্রহণকারী দেশ এতে অংশ নেয়। সেখানে বাংলাদেশকে এ যাবৎকালের সর্বোচ্চ ঋণ সহায়তা দেওয়ার ব্যাপারে প্রতিশ্রুতি দেয় এডিবি।

অর্থমন্ত্রী মুহিত সাংবাদিকদের বলেন, চলতি বছর এ যাবৎকালের সর্বোচ্চ ঋণ পাওয়া যাবে সংস্থাটির কাছ থেকে। দুই বিলিয়ন ডলারের ঋণ সহায়তা দিয়ে দেশের অবকাঠামো, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন খাতের উন্নয়নে ব্যবহার করা হবে। এটি বাংলাদেশের জন্য সুখবর বলেও মন্তব্য করেন মন্ত্রী।

সার্কভুক্ত দেশগুলোর অর্থমন্ত্রীদের আলোচনা পর্বে অর্থমন্ত্রীর দেওয়া অভিন্ন মুদ্রা চালু গুরুত্বসহকারে আলোচনা হয়। এটি চালু করা উচিত বলেও মতামত দেওয়া হয়। তবে সব দেশ এর পক্ষে নয়। ফলে এ নিয়ে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। আর সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য বৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য সার্ক ইকনোমিক কাউন্সিল গঠনের ব্যাপারে যে প্রস্তাবনা এসেছে তা নিয়ে বিশদ আলোচনা হয়েছে বৈঠকে। সবাই এ নিয়ে কাজ করতে সম্মত হয়েছে। তবে এ প্রক্রিয়া বেশ দীর্ঘ। ২০৩০ সালের মধ্যে প্রক্রিয়া দুটি চালু করার প্রাথমিক পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

 

বিষেরবাঁশী.কম/ডেস্ক/নিঃতঃ

Categories: অর্থনীতি

Leave A Reply

Your email address will not be published.