রবিবার ৮ আশ্বিন, ১৪২৫ ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ রবিবার

সরকারি কর্মচারী আইনের কিছু ধারার বাতিল চায় টিআইবি

বিশেরবাঁশী ডেস্ক: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপকমিটির প্রতিবেদনে সরকারি কর্মচারী আইনের খসড়ার কিছু বিতর্কিত ধারা অন্তর্ভুক্ত থাকায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। সংগঠনটি খসড়া আইনটির বেশ কিছু বিধান পুনর্বিবেচনা ও বাতিলের আহ্বান জানিয়েছে।

শুক্রবার (২৭ এপ্রিল) এক বিবৃতিতে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেন, খসড়া সরকারি চাকরি আইনে ফৌজদারি অপরাধে অভিযুক্ত সরকারি কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তারের আগে অনুমতি নেওয়া, এক বছরের বেশি কারও সাজা হলে তাৎক্ষণিকভাবে বরখাস্ত না করা, কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ও চাকরি থেকে বরখাস্ত বা অপসারণকৃত কোনো ব্যক্তিকে বরখাস্ত বা অপসারণ হতে অব্যাহতি দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে। এই ধারাগুলো কর্মকর্তাদের উন্নত পেশাদারি ও নিরপেক্ষ জনপ্রশাসন নিশ্চিতের পরিপন্থী।

ইফতেখারুজ্জামান বলেন, দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে মামলা হলে অভিযোগপত্র দেওয়ার আগে গ্রেপ্তার করতে সরকারের অনুমতি নেওয়ার যে বিধান বহাল রাখা হয়েছে, তা বৈষম্যমূলক ও সাংবিধানিক চেতনার পরিপন্থী। বিশেষ করে সরকারি খাতে দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে সরকারি অঙ্গীকারের সঙ্গে ধারাটি সাংঘর্ষিক এবং এর মাধ্যমে দুর্নীতি দমন কমিশনের ক্ষমতা খর্ব হওয়ার ঝুঁকি সৃষ্টি হবে। এই ধারাটি বাতিল করতে হবে। অন্যদিকে জনপ্রশাসন যেন দলীয় রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত হয়ে ভয়ভীতি ও চাপের ঊর্ধ্বে থেকে সততা ও স্বচ্ছতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে পারে, সে জন্য কিছু ধারা বাদ দেওয়া জরুরি। পাশাপাশি এটাও নিশ্চিত করতে হবে যেন জনপ্রশাসনে মেধা, দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার অবমূল্যায়ন না হয়। এ ছাড়া সামগ্রিক স্বচ্ছতার স্বার্থে আইনটির নতুন প্রস্তাবনাসহ পূর্ণ খসড়াটি ওয়েবসাইটে প্রকাশ ও সবার মতামত দেওয়ার সুযোগ তৈরিরও আহ্বান জানান ইফতেখারুজ্জামান।

বিশেরবাঁশী ডেস্ক/সংবাদদাতা/মিতু

Categories: সারাদেশ

Leave A Reply

Your email address will not be published.