রবিবার ৪ অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ ১৮ নভেম্বর, ২০১৮ রবিবার

ভর্তি ও নিয়োগ পরীক্ষায় জালিয়াতি চক্রের মূলহোতাসহ আটক ৩

বিষেরবাঁশী ডেস্ক: ভর্তি ও নিয়োগ পরীক্ষায় ইলেক্ট্রনিক ডিভাইসের মাধ্যমে উত্তর সরবরাহকারী চক্রের মূলহোতা উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা পুলকেশ দাস বাচ্চুসহ তিনজনকে আটক করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ডিবি। মঙ্গলবার (১৮ এপ্রিল) রাতে ঢাকার রমনা ও শ্যামলীতে ধরা পড়েন তারা। তাদের কাছ থেকে ৮টি ডিভাইস ও ১১টি ছোট ব্লু-টুথ ডিভাইস উদ্ধার করা হয়েছে।

ডিবি উত্তরের এডিসি গোলাম সাকলাইন জানিয়েছেন, আটক বাকি দু’জন হলেন মনিরুল ইসলাম ও ফিরোজ আহমেদ। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের এডি আবু জাফর মজুমদারসহ আরও কয়েকজন ব্যাংক কর্মকর্তা জড়িত রয়েছে। তাদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।’

প্রশ্নপত্র ফাঁসকারীচক্রের অন্যতম হোতা বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী পরিচালক আবু জাফর মজুমদার গত ৪ এপ্রিল অফিস করার পর থেকে উধাও আছেন। এরপর তিনি আর অফিসে আসেননি, ছুটিও নেননি। প্রশ্নফাঁসের সঙ্গে নিজের নাম প্রকাশ হয়ে যাওয়ায় তিনি গা-ঢাকা দিয়েছেন বলে ধারণা গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের। এতদিন উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা পুলকেশ দাস বাচ্চুও উধাও ছিলেন।

উদ্ধার করা ডিভাইস ও ব্লু-টুথ (ছবি: সংগৃহীত)
প্রশ্নপত্র ফাঁস করে জালিয়াতির জন্য ডিভাইস সরবরাহকারী শ্রীমঙ্গলের সোনালী ব্যাংক শাখার আইটি অফিসার মোহাম্মদ কার্জনও পরিবার ও বন্ধুবান্ধব থেকে যোগাযোগ-বিচ্ছিন্ন আছেন বলে জানা গেছে। তার ফেসবুক আইডি আর ব্যবহৃত দুটি মোবাইল নম্বরও বন্ধ রয়েছে।

সম্প্রতি রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রশ্ন ফাঁসকারীচক্রের ১০ জনকে আটক করে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা ও অপরাধ তথ্য বিভাগ (উত্তর)। তাদের জিজ্ঞাসাবাদে এই চক্রের হোতাদের কয়েকজনের পরিচয় বেরিয়ে আসে। যাদের মধ্যে আছেন বাংলাদেশ ব্যাংক কর্মকর্তা আবু জাফর মজুমদারসহ তার দুই সহযোগী উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা পুলকেশ দাস বাচ্চু ও সোনালী ব্যাংকের আইটি অফিসার মোহাম্মদ কার্জন। এরপর থেকেই তাদের গ্রেফতারে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালাচ্ছেন গোয়েন্দা পুলিশের সদস্যরা। তাদের মধ্যে ধরা পড়লেন পুলকেশ।

বিষেরবাঁশী ডেস্ক/সংবাদদাতা/মিতু

Categories: আইন-আদালত

Leave A Reply

Your email address will not be published.